counter create hit ইন্দ্রলিপি - Download Free eBook
Hot Best Seller

ইন্দ্রলিপি

Availability: Ready to download

বিস্ময়কর একধরনের ব্লাস্ট হলো, রাজশাহী সুলতানাবাদে। সেখানে ছুটে চলল বেগুনীঘোড়া সংগঠন, সাথে রয়েছে শোয়েব। উদ্ভট সব পরিবর্তন আসছে ব্লাস্টের জায়গায়। আবারো ফিরতে চাইছে ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা। কিভাবে তৈরি হল এই অমরত্বের মন্ত্র? কাললিপিই বা কি করে এলো পৃথিবীতে? মহাবিশ্ব থেকেও পুরোনো কি এমন বিজ্ঞান, যা ইন্দ্রলিপি পর্যন্ত ধ্বংস করতে পারে? গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে কালকর্কট, সাতশ বছ বিস্ময়কর একধরনের ব্লাস্ট হলো, রাজশাহী সুলতানাবাদে। সেখানে ছুটে চলল বেগুনীঘোড়া সংগঠন, সাথে রয়েছে শোয়েব। উদ্ভট সব পরিবর্তন আসছে ব্লাস্টের জায়গায়। আবারো ফিরতে চাইছে ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা। কিভাবে তৈরি হল এই অমরত্বের মন্ত্র? কাললিপিই বা কি করে এলো পৃথিবীতে? মহাবিশ্ব থেকেও পুরোনো কি এমন বিজ্ঞান, যা ইন্দ্রলিপি পর্যন্ত ধ্বংস করতে পারে? গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে কালকর্কট, সাতশ বছর আগে শুরু হওয়া লড়াই এক নতুন মোড় নিয়ে শুরু হলো। চারপাশের এত মুখোশের আড়ালে, কি করে সত্যিকার শত্রুকে চিনতে পারবে শোয়েব?


Compare

বিস্ময়কর একধরনের ব্লাস্ট হলো, রাজশাহী সুলতানাবাদে। সেখানে ছুটে চলল বেগুনীঘোড়া সংগঠন, সাথে রয়েছে শোয়েব। উদ্ভট সব পরিবর্তন আসছে ব্লাস্টের জায়গায়। আবারো ফিরতে চাইছে ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা। কিভাবে তৈরি হল এই অমরত্বের মন্ত্র? কাললিপিই বা কি করে এলো পৃথিবীতে? মহাবিশ্ব থেকেও পুরোনো কি এমন বিজ্ঞান, যা ইন্দ্রলিপি পর্যন্ত ধ্বংস করতে পারে? গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে কালকর্কট, সাতশ বছ বিস্ময়কর একধরনের ব্লাস্ট হলো, রাজশাহী সুলতানাবাদে। সেখানে ছুটে চলল বেগুনীঘোড়া সংগঠন, সাথে রয়েছে শোয়েব। উদ্ভট সব পরিবর্তন আসছে ব্লাস্টের জায়গায়। আবারো ফিরতে চাইছে ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা। কিভাবে তৈরি হল এই অমরত্বের মন্ত্র? কাললিপিই বা কি করে এলো পৃথিবীতে? মহাবিশ্ব থেকেও পুরোনো কি এমন বিজ্ঞান, যা ইন্দ্রলিপি পর্যন্ত ধ্বংস করতে পারে? গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে কালকর্কট, সাতশ বছর আগে শুরু হওয়া লড়াই এক নতুন মোড় নিয়ে শুরু হলো। চারপাশের এত মুখোশের আড়ালে, কি করে সত্যিকার শত্রুকে চিনতে পারবে শোয়েব?

30 review for ইন্দ্রলিপি

  1. 4 out of 5

    Shaon Arafat

    বইটা ভালো। লেখকের কল্পনাশক্তি খুবই শক্তিশালী। সিরিজের দুইটা বই পড়েই যেটা বুঝলাম, তা হচ্ছে- উনি বর্ণনামূলক ন্যারেশন পছন্দ করেন। কিন্তু, দূর্ভাগ্যজনকভাবে, বর্ণনাগুলোর বড় একটা অংশ বেশ বিরক্তিকর হয়ে উঠেছে। উঁচুমানের সম্পাদনা করে, বইতে কিঞ্চিৎ কাটাছেঁড়া করা অতি জরুরী ছিল।

  2. 4 out of 5

    শুভাগত দীপ

    || রিভিউ || বইঃ ইন্দ্রলিপি (ইন্দ্রলিপি ট্রিলোজি #২) লেখকঃ মুশফিক উস সালেহীন প্রকাশকঃ চিরকুট প্রকাশকালঃ জানুয়ারি, ২০২০ ঘরানাঃ ফ্যান্টাসি থ্রিলার প্রচ্ছদঃ সজল চৌধুরী পৃষ্ঠাঃ ৩৮৪ মুদ্রিত মূল্যঃ ৪৬০ টাকা ফরম্যাটঃ হার্ডকভার কাহিনি সংক্ষেপঃ অমরত্বের চাবিকাঠি ইন্দ্রলিপির ধারক হয়ে ওঠার পর দুই বছর সময় পার করে ফেলেছে শোয়েব হাসান। ইকবালকে সাথে নিয়ে রহস্যময় ড্রাগ কিউফি প্রস্তুত ও ডিস্ট্রিবিউট করে চলেছে সে। কিন্তু হঠাৎ করেই নেপালের টাউফা মন্দিরে পাড়ি জমাতে হলো শোয়েবকে। ডা. রায়হান হাবীব, গৌরব রায়, মিস র || রিভিউ || বইঃ ইন্দ্রলিপি (ইন্দ্রলিপি ট্রিলোজি #২) লেখকঃ মুশফিক উস সালেহীন প্রকাশকঃ চিরকুট প্রকাশকালঃ জানুয়ারি, ২০২০ ঘরানাঃ ফ্যান্টাসি থ্রিলার প্রচ্ছদঃ সজল চৌধুরী পৃষ্ঠাঃ ৩৮৪ মুদ্রিত মূল্যঃ ৪৬০ টাকা ফরম্যাটঃ হার্ডকভার কাহিনি সংক্ষেপঃ অমরত্বের চাবিকাঠি ইন্দ্রলিপির ধারক হয়ে ওঠার পর দুই বছর সময় পার করে ফেলেছে শোয়েব হাসান। ইকবালকে সাথে নিয়ে রহস্যময় ড্রাগ কিউফি প্রস্তুত ও ডিস্ট্রিবিউট করে চলেছে সে। কিন্তু হঠাৎ করেই নেপালের টাউফা মন্দিরে পাড়ি জমাতে হলো শোয়েবকে। ডা. রায়হান হাবীব, গৌরব রায়, মিস রিভেরা, মুজতবা আহমেদ ও নাফিস শাহরিয়ারের সাথে ওকে যোগ দিতেই হলো, যখন তাঁরা সকলেই নিজেদেরকে সাতশো বছরের পুরোনো গুপ্তসঙ্ঘ বেগুনীঘোড়া সংগঠনের সদস্য বলে পরিচয় দিলো। সেই বেগুনীঘোড়া সংগঠন, যাদের কাজ যুগ যুগ ধরে ইন্দ্রলিপি ও এর ধারককে রক্ষা করা। শোয়েবের ভাগ্য যেন সম্পূর্ণভাবে জুড়ে গেলো এই মানুষ গুলোর সাথে। অদ্ভুত ধরণের এক ব্লাস্ট হলো রাজশাহীর সুলতানাবাদে। একটা ব্লাস্ট হয়েই থেমে থাকলো না, বরং একের পর এক ব্লাস্ট হতে লাগলো ঢাকার বেশ কিছু স্থান সহ মায়ানমারেও। এমন রহস্যময় ব্লাস্ট এর আগে কেউ কখনো দেখেনি। ক্ষয়ক্ষতির ধরণ দেখলে মনে হয়, ব্লাস্টের জায়গা গুলোতে সময় আর স্থানের ভেতরে যেন রীতিমতো সংঘর্ষ ঘটে গিয়েছে। এমন একটা ব্যাপার, যা প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ধারণা ও যুক্তি দিয়ে মোটেও ব্যাখ্যা করার মতো না। পুরো দেশ নড়েচড়ে বসলো এসব অদ্ভুত সিরিয়াল ব্লাস্টের মুখোমুখি হয়ে। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়ে উঠলো। রাস্তাঘাট ছেয়ে গেলো আর্মিতে। কিন্তু ফলাফল শূন্য। কোনভাবেই বের করা যাচ্ছে না কেন হচ্ছে এসব ব্লাস্ট। বেগুনীঘোড়া সংগঠনের সদস্যরা কিন্তু জানে এসব আসলে স্বাভাবিক কোন ব্লাস্ট না। আর ঠিক এখানেই শোয়েব জানলো জাতূষের কথা। ফাহু, রক্র, মিধিষ, ত্রিষু সহ অনেক অজানা ব্যাপারেই শোয়েব জানতে পারলো ধীরে ধীরে। আর যে ব্যাপারটাতে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়লো শোয়েব, সেটা হলো ধৃক; যা খুব শীঘ্রই হস্তগত কর‍তে না পারলে ইন্দ্রলিপির মালিকানা সঙ্কটে পড়ে যাবে। একের পর এক জাতূষ কাণ্ডে দিশেহারা অবস্থাতেও সিআইডি'র সিনিয়র অফিসার জাফর উদ্দিন ঠিকইশোয়েব-ইকবালের কিউফি নেটওয়ার্কের তালাশ করে চলেছেন। এদিকে কিউফির ফর্মুলা হস্তগত করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে আরো একটা পক্ষ, যার পেছনে বসে কলকাঠি নেড়ে চলেছেন চতুর দীনেশ বাগচী। বেগুনীঘোড়া সংগঠন যখন জাতূষের ভয়াবহতা প্রতিরোধে ব্যস্ত, ঠিক তখনই ওদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন রহস্যময় স্বভাবের জুয়েলারি ব্যবসায়ী শাহাদাত খন্দকার ও লতা তালুকদার। আসলে ওদেরই বা স্বার্থ কি শোয়েবদেরকে সাহায্য করার পেছনে? একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর শোয়েব ঠিকই বুঝতে পারলো ইন্দ্রলিপি ধারণ করা কোন সহজ ব্যাপার না। সাতশো বছর ধরে চলে আসছে দুই গুপ্তসঙ্ঘ বেগুনীঘোড়া সংগঠন ও কালকর্কটের মধ্যেকার লড়াই। এতোদিন পর সেই লড়াইটা জমে উঠলো আবারো, যেখানে কেউ জানে না কিসের আড়ালে লুকিয়ে আছে কোন শত্রু আর তার উদ্দেশ্যই বা কি! পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ গতো বছর ঠিক এরকমই একটা সময়ে পড়েছিলাম মুশফিক উস সালেহীনের ইন্দ্রলিপি ট্রিলোজি'র প্রথম বই 'জাদুকর'। আজ শেষ করলাম দ্বিতীয় বই 'ইন্দ্রলিপি'। ফ্যান্টাসি থ্রিলার ঘরানার 'ইন্দ্রলিপি'-এর কাহিনি শুরু হয়েছে 'জাদুকর'-এর সমাপ্তির দুই বছর পর থেকেই। প্রথমেই বলে নিই, এই বইটার কলেবর বেশ বড়সড়। কাহিনির বিস্তৃতিতেও বেশ ব্যাপকতা আছে। আর এই কারণেই বোধহয় চরিত্রের সংখ্যাও বেশি। মুশফিক উস সালেহীন মূলত তিনটা সেগমেন্টে এগিয়ে নিয়ে গেছেন 'ইন্দ্রলিপি'-এর কাহিনি, যেগুলো একের পর এক বর্ণিত হয়েছে; বেগুনীঘোড়া সংগঠনের কর্মকাণ্ড, দীনেশ বাগচীর কর্মকাণ্ড ও সিআইডি অফিসার জাফর উদ্দিনের কর্মকাণ্ড। ফ্যান্টাসি উপন্যাস হওয়ার কারণে এখানে জাতূষ, রক্র, ফাহু, মিধিষ, ত্রিষু সহ বেশ কিছু ম্যাজিক রিলেটেড টার্ম সামনে এনেছেন মুশফিক উস সালেহীন। ইন্টারেস্টিং লেগেছে এগুলোর ব্যাখ্যা। বিশেষ করে জাতূষ তৈরি হওয়ার পর এর আশেপাশের ধ্বংসযজ্ঞের যে বর্ণনা 'ইন্দ্রলিপি'-তে পড়েছি, সেসব বেশ অন্যরকম লেগেছে আমার কাছে। লেখকের কল্পনাশক্তির প্রশংসা করতেই হয়। উপন্যাসের প্রথম দিকে আমার কাছে কাহিনির গতি বেশ ধীর মনে হচ্ছিলো। তবে মোটামুটি ১০০ পৃষ্ঠার পর থেকে কাহিনির ভেতরে বেশ গতিশীলতা লক্ষ্য করেছি। সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা ভালো লেগেছে সেটা হলো, লেখক তাঁর পূর্ববর্তী বইয়ের চেয়ে এই বইয়ে ডিটেইলিং-এর দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। পারিপার্শ্বিক সবকিছুর বর্ণনার ব্যাপারে তাঁর দক্ষতা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে হয়েছে আমার কাছে। শেষের দিকে এসে যদিও সামান্য তাড়াহুড়া লক্ষ্য করেছি৷ ধীরে ধীরে তাঁর লেখনশৈলী উন্নত হচ্ছে ও ভবিষ্যতে আরো হবে বলে আমার বিশ্বাস। এবার ভুল-ভ্রান্তির ব্যাপারে আসা যাক। ৪০ তম পৃষ্ঠায় চিফ ডিরেক্টর মোশাররফ হোসেনের অফিস তিন তলাতে থাকলেও ১০৮ তম পৃষ্ঠায় সেটা হয়ে গেছে চার তলা। ডিরেক্টরের নাম হয়ে গেছে মোশাররফ করিম। বানান ভুলের মাত্রাও ছিলো চোখে পড়ার মতো। কেটে-কে কেঁটে, হাঁটা-কে হাটা, পাক (ঘূর্ণন)-কে পাঁক (কাদা), কাত-কে কাঁত, পড়া (পতিত হওয়া)-কে পরা (পরিধান করা), দুই চোখ বিস্ফারিত হওয়াকে বিস্ফোরিত হওয়া সহ আরো বেশ কিছু বানান বিপর্যয় লক্ষ্য করেছি৷ আগামী বই গুলোতে লেখক এসব ভুলের ব্যাপারে নজর রাখবেন আশা করি। 'ইন্দ্রলিপি'-এর কাহিনি বেশ ইন্টারেস্টিং একটা জায়গায় এসে থেমে গেছে৷ আর এই কারণেই ট্রিলোজি'র শেষ খণ্ড 'রাজগড়' পড়ার একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে আমার ভেতরে। অচিরেই হয়তো মুশফিক উস সালেহীনের কল্যাণে ট্রিলোজি কমপ্লিট করতে পারবো৷ দেখা যাক। সজল চৌধুরী'র করা 'ইন্দ্রলিপি'-এর প্রচ্ছদটা উপন্যাসের সাথে পুরোপুরি ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়েছে৷ বেশ ভালো লেগেছে প্রচ্ছদটা। বইটার বাঁধাই বেশ শক্তপোক্ত আর কাগজের মানও ভালো লেগেছে। সংযুক্তিঃ 'ইন্দ্রলিপি' যেহেতু ইন্দ্রলিপি ট্রিলোজি'র দ্বিতীয় বই, অতএব যাঁরা পড়তে চান তাঁরা ট্রিলোজি'র প্রথম বই 'জাদুকর' আগে পড়ে নেবেন। এতে কাহিনি বুঝতে কোন সমস্যা হবে না। আমার জানামতে দুটো বই-ই বাজারে অ্যাভেইলেবল আছে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৬৫/৫ গুডরিডস রেটিংঃ ৩.৭৭/৫ - শুভাগত দীপ - (১ অক্টোবর, ২০২০; নাটোর)

  3. 5 out of 5

    Tabib Hasan

    [জাদুকর বইয়ের স্পয়লার রয়েছে] ইন্দ্রলিপি মুশফিক উস সালেহীন কাহিনী সংক্ষেপ: শোয়েব গিয়ে যোগ হয়েছে বেগুনীঘোড়া সংগঠনের সাথে। তখনই দেখা দিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অদ্ভুত সব ব্লাস্ট হচ্ছে। ব্লাস্টের ফলে জায়গাগুলোর অনেক রকম পরিবর্তন হচ্ছে, যেমন দেয়াল ফুড়ে গাছ বের হচ্ছে, মেঝে উত্তপ্ত হয়ে গলে যাচ্ছে ইত্যাদি। এদিকে ইন্দ্রলিপি কেড়ে নেয়ার অস্ত্র ধৃক এর খোঁজে ঘুরছে শোয়েব। কেউ বা কারা গোপনে ছক সাঁজাচ্ছে, বিগ-ব্যাঙেরও আগেকার প্রাণী ফাহু দের ফিরিয়ে আনবার। পদ্মফুলের মত হাত নেয়া শ্বেতমূর্তি গুনজালদা [জাদুকর বইয়ের স্পয়লার রয়েছে] ইন্দ্রলিপি মুশফিক উস সালেহীন কাহিনী সংক্ষেপ: শোয়েব গিয়ে যোগ হয়েছে বেগুনীঘোড়া সংগঠনের সাথে। তখনই দেখা দিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অদ্ভুত সব ব্লাস্ট হচ্ছে। ব্লাস্টের ফলে জায়গাগুলোর অনেক রকম পরিবর্তন হচ্ছে, যেমন দেয়াল ফুড়ে গাছ বের হচ্ছে, মেঝে উত্তপ্ত হয়ে গলে যাচ্ছে ইত্যাদি। এদিকে ইন্দ্রলিপি কেড়ে নেয়ার অস্ত্র ধৃক এর খোঁজে ঘুরছে শোয়েব। কেউ বা কারা গোপনে ছক সাঁজাচ্ছে, বিগ-ব্যাঙেরও আগেকার প্রাণী ফাহু দের ফিরিয়ে আনবার। পদ্মফুলের মত হাত নেয়া শ্বেতমূর্তি গুনজালদার হাতবদল হতে যাচ্ছে। বারবার আহত হচ্ছেন ইন্সপেক্টর জাফরউদ্দিন। একের পর নতুন জট এসে হাজির হচ্ছে। ওদিকে পুরো দেশে কারফিউ! ব্লাস্টের ফলে গণহারে মানুষ পঙ্গুত্ব বরন করছে, বেশিদিন বেঁচেও থাকতে পারছে না। বিদেশী জৈব-অস্ত্র সন্দেহে মাঠে নেমে গেছে মিলিটারি। থমথমে চারপাশ! এই নিয়ে এগিয়ে চলেছে কাহিনী! পাঠ প্রতিক্রিয়া: জাদুকর পড়েছি ১৫ দিনও হয়নি, তারপরই হাতে পেলাম ইন্দ্রলিপি। পুরো বইটা শেষ করার পর খালি একটা কথা মনে হচ্ছে বারবার - ইন্দ্রলিপির কাছে জাদুকর বইটা নস্যিমাত্র!! লেখক নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে চলে গেছেন। প্যাচের পর প্যাচ আসতেই থাকে! অর্ধেক পড়ার পর ভাবছিলাম - নতুন লেখক, এক বইয়ে সমাদৃত হয়ে হয়তো কনফিডেন্স বেড়ে গেছে, আবেগে পড়ে যেভাবে কাহিনীতে জট পাঁকাচ্ছেন, সেই জট খুলতে পারবেন তো? জট ছাড়িয়েছেন তো ছাড়িয়েছেন, এমন ভাবে ছাড়িয়েছেন যে মুগ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় বাকি নেই! সবচেয়ে ভালো লেগেছে এই জিনিসটা যে সব রহস্যের ক্লু আসলে জাদুকর বইয়েই দেয়া ছিল। জাদুকর বইটা যে কত ইস্টার এগে পরিপূর্ণ তা ইন্দ্রলিপি পড়লে বোঝা যায়। আমার মতে এই লেখক টুইস্টের জাদুকর! মাথা হ্যাঙ করে রেখে দেবে। আমি শেষের পরিচ্ছেদ তিনটে পড়ে নিজেকেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! সবকিছু আমার চোখের সামনেই ছিল, এমনকি জাদুকর বইয়েই বলা ছিল। তবুও আমি ধরতে পারিনি। সবমিলিয়ে ইন্দ্রলিপি আমার কাছে অন্যতম বেস্ট বাংলা থ্রিলার বই! ক্রিটিক: *জাদুকরের চেয়েও বর্ণনার পরিমান ইন্দ্রলিপিতে অনেক বেশি। মাঝে একটা গোটা চ্যাপ্টার আছে যার কোনো প্রয়োজনই নেই আসলে। তবে হ্যা, এটাও মানতে হবে বই শেষ করার পর ওই বর্ণনাগুলোই মাথায় ঘুরবে। এত গোছানো বাক্য। *বইয়ের কোয়ালিটি ভালো ছিল, কিন্তু বাইন্ডিং এত বেশি শক্ত, যে বই খুলে রাখা শক্ত। *কোনো এক কারণে, আমার প্রচ্ছদটা বিশেষ পছন্দ হয়নি (ব্যক্তিগত মতামত) *এই বইয়েও টাইমলাইনে সামান্য ঘোটালা ছিল। কিন্তু আমি সেটা উল্লেখ করবও না। কারন গোটা বইয়ের তুলনায় এই ভুল অনেক সূক্ষ্ম। তবে জাদুকরের তুলনায় কমই ভুল চোখে পড়েছে। *বইটা চাইলেই আরেকটু গতিসম্পন্ন করে লেখা যেত। লেখক অনেক জায়গায় গল্প সরলরেখায় না নিয়ে, ঘুরপাক খাইয়ে আবার একই জায়গায় এনেছেন। মানছি তাতে বেশি রিয়ালিস্টিক লাগে, কারন চরিত্র ভুল করতেই পারে। তবে মোটা বইয়ে এরকম রিয়েলিজম না থাকলেই পড়তে সুবিধে। *হামিদ মুরতাজা চরিত্রটাকে অহেতুক মনে হয়েছে আমার। এখন জানিনা, রাজগড়ে কি হয়। কারন জাদুকরে যেই চরিত্রগুলো অহেতুক মনে হয়েছিল, তারাই ইন্দ্রলিপির চালিকাশক্তি। *জাদুকর ফেরত এসেছে, মার্কেটিং এর জন্য এই ভাইভটা তৈরী না করলেও হত। রেটিং - ৯.৫/১০ [ইন্দ্রলিপি পড়া শেষ হলে দয়া করে জাদুকর বইয়ের ৪২-৪৩ পৃষ্ঠা পড়ে দেখবেন। অবশ্যই ইন্দ্রলিপি পড়া শেষে দেখবেন]

  4. 5 out of 5

    Shariful Sadaf

    বইটি খারাপ না... তবে মন সন্তুষ্ট করার মতো ভালোও না। লেখক মনে হয় বর্ণনাতে একটু বেশি আগ্রহী কিন্তু এই অতিরিক্ত বর্ণনা গল্পের খেই হারিয়ে ফেলেছে। আমার মনে হয়েছে এই গল্প লেখার জন্য ২৫০ পৃষ্ঠাই যথেষ্ট। যাই হোক এখানে লেখকের কল্পনাশক্তির সামর্থ্য প্রশংসনীয়।

  5. 4 out of 5

    Ashikur Rahman Bishal

    Felt repetative. The writing was good but somehow it couldn't get a hold of me. Felt repetative. The writing was good but somehow it couldn't get a hold of me.

  6. 5 out of 5

    Asif Farhan Ome

    #রিভিউ 📌 বইঃ ইন্দ্রলিপি (ইন্দ্রলিপি ট্রিলোজি #২) 📌 লেখকঃ মুশফিক উস সালেহীন 📌 জনরাঃ ফ্যান্টাসি থ্রিলার 📌 প্রকাশনীঃ চিরকুট 📌 পৃষ্ঠাঃ ৩৮৪ ✔ গুডরিডস রেটিংঃ ৩.৭৫/৫.০০ ✔ ব্যাক্তিগত রেটিংঃ ৪.১০/৫.০০ 🔰 কাহিনী সংক্ষেপঃ বিস্ময়কর একধরনের ব্লাস্ট হলো, রাজশাহী সুলতানাবাদে। সেখানে ছুটে চলল বেগুনীঘোড়া সংগঠন, সাথে রয়েছে শোয়েব। উদ্ভট সব পরিবর্তন আসছে ব্লাস্টের জায়গায়। আবারো ফিরতে চাইছে ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা। কিভাবে তৈরি হল এই অমরত্বের মন্ত্র? কাললিপিই বা কি করে এলো পৃথিবীতে? মহাবিশ্ব থেকেও পুরোনো কি এমন বিজ্ঞান, যা #রিভিউ 📌 বইঃ ইন্দ্রলিপি (ইন্দ্রলিপি ট্রিলোজি #২) 📌 লেখকঃ মুশফিক উস সালেহীন 📌 জনরাঃ ফ্যান্টাসি থ্রিলার 📌 প্রকাশনীঃ চিরকুট 📌 পৃষ্ঠাঃ ৩৮৪ ✔ গুডরিডস রেটিংঃ ৩.৭৫/৫.০০ ✔ ব্যাক্তিগত রেটিংঃ ৪.১০/৫.০০ 🔰 কাহিনী সংক্ষেপঃ বিস্ময়কর একধরনের ব্লাস্ট হলো, রাজশাহী সুলতানাবাদে। সেখানে ছুটে চলল বেগুনীঘোড়া সংগঠন, সাথে রয়েছে শোয়েব। উদ্ভট সব পরিবর্তন আসছে ব্লাস্টের জায়গায়। আবারো ফিরতে চাইছে ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা। কিভাবে তৈরি হল এই অমরত্বের মন্ত্র? কাললিপিই বা কি করে এলো পৃথিবীতে? মহাবিশ্ব থেকেও পুরোনো কি এমন বিজ্ঞান, যা ইন্দ্রলিপি পর্যন্ত ধ্বংস করতে পারে? গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে কালকর্কট, সাতশ বছর আগে শুরু হওয়া লড়াই এক নতুন মোড় নিয়ে শুরু হলো। চারপাশের এত মুখোশের আড়ালে, কি করে সত্যিকার শত্রুকে চিনতে পারবে শোয়েব? 🔰 ব্যাক্তিগত মতামতঃ " Oh how wrong we were to think immortality meant never dying. " বটবৃক্ষের মত করে লেখক আস্তে আস্তে গল্পের পরিধি বাড়িয়েছে, নিয়ে এসেছে নতুন নতুন চরিত্র কিন্তু এতগুলো নতুন চরিত্র এর ভীড়ে লেখক ঠিক মত প্রতিটা চরিত্র কে সমান ভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছে ঠিক যতদুর অব্ধি তাদের যাওয়া প্রয়োজন। লেখকের দ্বিতীয় বই হওয়া সত্তে কতটা সাবলীল ভাবে প্রতিটা ঘটনা বর্ননা করে গেছে তা আসলে প্রশংসনীয়। ইন্দ্রলিপি বইটির কাহিনি ব্যাপ্তি অনেক বড়সড় তাই হয়তোবা লেখক গল্পের প্লট কে কয়েকটা ভাগে ভাগ করে নিয়েছে যেহেতু চরিত্র সংখ্যা বেশি। ✔ শোয়েব ও তার ড্রাগ র‍্যাকেট এর কাহিনি ✔ ইন্দ্রলিপি এর কাহিনি ✔ বেগুনীঘোড়া সংগঠনের দপ্তর আর সংগঠনের কাহিনি ✔ প্রজেক্ট মায়া এবং হামিদ মুরতাজার সক্রিয়তা ✔ এডিবি ও অফিসার জাফর এর কাহিনি। গল্পের শুরুটা কিছুটা স্লো হলেও ঠিক ই গল্পের গতি খুঁজে পেয়েছিলো ১৩০ পেজের পর। গল্পের শেষ পরিনতি এমন হবে তা কোনো ভাবেই বুঝে উঠতে পারিনি 😀 এবার আসি ভালো-লাগা মন্দ লাগা নিয়ে কিছু কথা নিয়ে ১) এই প্রথম চিরকুট এর বইয়ের বাইন্ডিং নিয়ে আমি আপসেট 😐 মোটাতাজা একটা বইয়ে বাইন্ডিং শক্ত হওয়ার কারনে পেজগুলা ঠিক মত খুলে রেখে পড়া যাচ্চিলোনা 😑 ২) অনেক জায়গায় বানান ভুল ছিলো। ৩) কেনো জানি মনে হচ্ছিলো লেখক লাস্টের দিকে এসে তাড়াহুড়ো করা শুরু করছিলো, আরো ডিটেইলস এ যাওয়া যেত। ৪) ফ্যান্টাসি টার্ম - ইন্দ্রলিপি এর সাথে কানেক্টেড প্রতিটা টার্মগুলো ভালোই লেগেছিলো। ( ৪ঠা ডিসেম্বর ,২০২০, বনশ্রি, ঢাকা)

  7. 5 out of 5

    Ashik Sarwar

    ইন্দ্রলিপি এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ একটি বই। লেখকের কল্প জগৎতের বিস্তার শুধু এক জায়গায় থেমে থাকেনি৷ গল্পের শেকড় বটবৃক্ষের মত লম্বা হয়েছে, ছড়িয়েছে এর ডালপালা। তবে মাঝে মাঝে অবাঞ্চিত ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হয় ভাল মত বৃক্ষের বেড়ে উঠার জন্য। এই গল্পটি মেদহীন হত যদি অবাঞ্চিত বর্ণনা গুলো বাদ দেওয়া যেত৷ তবে বলতে হবে তার আগের দুইটি বই পড়ার প্রেক্ষিতে বলতে পারি ইন ডেটেইলস রাইটিং তার জন্য একধারে আর্শীবাদ এবং অভিশাপ৷ থ্রিলার পাঠকদের কাছে এত বর্ণনা ভাল লাগার কথা নয়৷ তবে ধৈর্য্যশীল পাঠক এবং যারা এক ইন্দ্রলিপি এক কথায় বলতে গেলে অসাধারণ একটি বই। লেখকের কল্প জগৎতের বিস্তার শুধু এক জায়গায় থেমে থাকেনি৷ গল্পের শেকড় বটবৃক্ষের মত লম্বা হয়েছে, ছড়িয়েছে এর ডালপালা। তবে মাঝে মাঝে অবাঞ্চিত ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হয় ভাল মত বৃক্ষের বেড়ে উঠার জন্য। এই গল্পটি মেদহীন হত যদি অবাঞ্চিত বর্ণনা গুলো বাদ দেওয়া যেত৷ তবে বলতে হবে তার আগের দুইটি বই পড়ার প্রেক্ষিতে বলতে পারি ইন ডেটেইলস রাইটিং তার জন্য একধারে আর্শীবাদ এবং অভিশাপ৷ থ্রিলার পাঠকদের কাছে এত বর্ণনা ভাল লাগার কথা নয়৷ তবে ধৈর্য্যশীল পাঠক এবং যারা একটু ভাবতে পছন্দ করে তাদের জন্য বর্ণনা গুলো মন্দ নয়৷ ইন্দ্রলিপি পড়ে আমার পাঠ্যনুভূতি কি? অবশ্যই বইটি ছাড়িয়ে গেছে সিরিজের প্রথম বই জাদুকর কে। একের পর এক ধাঁধা ও ধ্রুমজাল তৈরি করে পাঠক কে যেমন ডেড এন্ডে নিয়ে গেছেন লেখক। আবার রহস্যের উন্মোচ্চনের মাধ্যনে নতুন সম্ভবনা তৈরি করেছেন৷ নতুন লেখক এত জিলাপির প্যাচ মেরে শেষ পর্যন্ত গিট্টু ছুটাতে পারবেন কি না আমার সন্দেহ ছিল৷ তবে গিট্টু বেশ ভালভাবে ছুটিয়ে তৃতীয় পর্বের জন্য রেখে গেছেন প্রশ্ন এবং নতুন রহস্য? সেই রহস্যের জন্য পাঠক নিশ্চয় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবে৷ শেষের টুইষ্ট আমার জন্য হজম করতে একটু কষ্ট হল৷ চোখের সামনেই তো ঘুরছিল ঘরের শত্রু বিভীষণ অথচ নজর যাচ্ছে এখানে সেখানে৷ ঠিক একবারে জাদুকর বইয়ের মতই শেষের টুইষ্টটা ছিল অসাধারণ৷ আমি এই বই কে শুধু থ্রিলার জনরা বেঁধে রাখতে নারাজ৷ একাধারে আরবান ফ্যান্টাসি, এডভেঞ্চার, মিথিক্যাল ফিকসন ও হাল্কা সায়েন্স এর ঘুটার সম্বনয়ও বলা যায়৷ তবে দিন শেষে প্রশ্ন তো থেকেই যায়। হামিদ মুরতোজা তোমার সারা বইয়ে কাজ কি ছিল বাছা৷ আমেরিকার কানেকসন, প্রজেক্ট মায়া এসব প্রশ্নের উত্তরবিহীন গল্পের শেষ রেখে যায় প্রশ্নের রেশ৷ এই প্রশ্নের জবাব পাওয়া কি যাবে তৃতীয় পর্বে৷ সে না হয় সময় বলে দিবে। তবে এবার চিরকুটের প্রোডাকশন কোয়ালিটি নিয়ে কিঞ্চিত হতাশ। বইটি মোটা এক্ষেত্রে রাউন্ড বাইন্ডিং বাদ দিয়ে নতুন ধরনের পরীক্ষা একেবারেই জলে গেছে৷ এত শক্ত হয়ে ছিল পাতা, যেন খুলে আসবে। পরের বার নিশ্চিয় এই সব বিষয় খেয়াল রাখা হবে৷ এছাড়া এই বইতে বানান ভুল বা মিসস্পেল তেমন একটা খুঁজে পায়নি৷ ওভার অল এভারেজ প্রোডাকশন৷ পরিশেষে বলতে চাই ইন্দ্রলিপির সাথে আমার ভাল সময় কেটেছে৷ একবারে নতুন স্বাদের কিছু পড়তে চাইলে চেখে দেখতে পারেন ইন্দ্রলিপি৷ ©বইপিডিয়া

  8. 5 out of 5

    Raihan Opu

    রাজশাহীর সুলতানাবাদে ব্লাস্ট। বেগুনী ঘোড়ার সদস্যরা ছুটে চলেছে সেখানে। তাদের সাথে রয়েছে শোয়েব। এছাড়া ব্লাস্ট হয়েছে মায়নমারেও। যেখানেই ব্লাস্ট হচ্ছে সেখানেই অদ্ভুত পরিবর্তন৷ ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা আবার কি ফিরে আসবে। অমরত্বের সন্ধানে ছুটে চলেছে সবাই। কিভানে সৃষ্টি হয়েছে এই অমরত্বের। এদিকে কালকর্কট আবার ফিরে আসছে। সাতশ বছর আগে শুরু হওয়া লড়াই আবার নতুন করে শুরু হতে যাচ্ছে। কি হবে এই লড়াইয়ে। . "জাদুকর" এর পরের পার্ট হচ্ছে "ইন্দ্রলিপি"। বইটি আগ্রহ নিয়ে শুরু করি। কিন্তু ধীরে ধীরে সেটা কমে আসে। ব রাজশাহীর সুলতানাবাদে ব্লাস্ট। বেগুনী ঘোড়ার সদস্যরা ছুটে চলেছে সেখানে। তাদের সাথে রয়েছে শোয়েব। এছাড়া ব্লাস্ট হয়েছে মায়নমারেও। যেখানেই ব্লাস্ট হচ্ছে সেখানেই অদ্ভুত পরিবর্তন৷ ইন্দ্রলিপির স্রষ্টারা আবার কি ফিরে আসবে। অমরত্বের সন্ধানে ছুটে চলেছে সবাই। কিভানে সৃষ্টি হয়েছে এই অমরত্বের। এদিকে কালকর্কট আবার ফিরে আসছে। সাতশ বছর আগে শুরু হওয়া লড়াই আবার নতুন করে শুরু হতে যাচ্ছে। কি হবে এই লড়াইয়ে। . "জাদুকর" এর পরের পার্ট হচ্ছে "ইন্দ্রলিপি"। বইটি আগ্রহ নিয়ে শুরু করি। কিন্তু ধীরে ধীরে সেটা কমে আসে। বইটি থ্রিল কম বর্ননা বেশি। মানুষ শুধু দৌড়ে বেড়াচ্ছে। এই এখানে তো সেখানে। সিকোয়েন্স এর ঘাটতি আছে অনেক। বলা যায় লেখক বড় প্লট নিয়ে ভাবতে গিয়ে অনেকটা খেয়াল করেনি যে পাঠ বিরক্ত হতে পারে৷ জাদুকর বইটি ভাল ছিল। কিন্তু ইন্দ্রলিপি নামের সাথে বইটি খাপ খায়নি৷ . বরং এখানে এক ড্রাগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। তাহলে বইটির নাম ওই হিসেবেই রাখা যেতো। তাছাড়া শেষে এসে সব কিছু তাড়াতাড়ি ঘটে। কাহিনীর বিল্ড আপ এমন যেন শেষে এসে সব কিছু তাড়াতাড়ি হতে হবে। ধীরে ধীরে একের পর এক করা যেত। একটু বিরত না দিয়ে। সব এক সাথে ঘটে গেলে সেটা ভাল দেখা যায় না। বই আমার কাছে সেভাবে ভাল লাগেনি।

  9. 5 out of 5

    Tauhid Itul

    ধীরগতির বর্ননায় খারাপ লাগার কিছু নাই। কোন কিছুর বিবরণ পড়ে যখন সেই বিষয়ে আকর্ষণ না জাগে, তখন খারাপ লাগা শুরু হয়। বই এর বাধাই অত্যাধিক শক্ত। বই পড়তে পড়তে মুড়ি-চানাচুরও খাইতে পারি নাই।

  10. 5 out of 5

    Labim Muntahsin

    লেখকের চোখ আছে বলতেই হবে! যারা বর্ণনা বোঝে না, তারা সাহিত্যের রস জানেনা! তারা কানা! এই ছেলে এত গুছিয়ে লিখেছে, কোথাও কোনো জড়তা নেই! জাদুকর পড়ে বোঝাই যায়নি, গল্পের ব্যপ্তি এতখানি!

  11. 5 out of 5

    Md Ahmed

    অতিরিক্ত বর্ণনা না থাকলে আরো ভালো লাগত। গল্পটা খুবই চমৎকার।

  12. 5 out of 5

    Ariful Islam

  13. 4 out of 5

    Sondhyashoshii

  14. 5 out of 5

    Kuasha Raihan

  15. 4 out of 5

    তানভীর

  16. 4 out of 5

    Shariful Hasan

  17. 5 out of 5

    Zaima Hamid Zoa

  18. 5 out of 5

    Junaed Alam Niloy

  19. 5 out of 5

    Saika Pew

  20. 4 out of 5

    Wasif M

  21. 4 out of 5

    মুশফিক সালেহীন

  22. 5 out of 5

    Mohammad Islam

  23. 4 out of 5

    মোহাম্মদ নাহিদ

  24. 4 out of 5

    Nizamul Hassan Nayem

  25. 4 out of 5

    Riyad Hossain

  26. 4 out of 5

    Kownik Debnath

  27. 4 out of 5

    Nadim Mahmud

  28. 5 out of 5

    Sarvnaz Hussain

  29. 4 out of 5

    Zarif Hossain

  30. 4 out of 5

    Azoad Ahnaf Walindo

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...
We use cookies to give you the best online experience. By using our website you agree to our use of cookies in accordance with our cookie policy.